Posts

পৃথিবীর বয়স

Image
পৃথিবীর বয়স  প্রায় ৪.৫৪ ± ০.০৫ বিলিয়ন বছর  (৪.৫৪ × ১০৯ বছর ± ১%)।  এই বয়স উল্কার রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় থেকে প্রাপ্ত এবং প্রাপ্ত সবচেয়ে প্রাচীন পার্থিব ও চাঁদের পাথরের রেডিওমেট্রিক বয়সের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে রেডিওমেট্রিক বয়স নির্ণয় পদ্ধতি আবিষ্কারের পর ইউরেনিয়াম-সীসা বয়স নির্ণয় পদ্ধতিতে দেখা যায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ খনিতে এমন সীসা বিদ্যমান যার বয়স এক বিলিয়ন বছরের বেশি হবে।এই ধরনের খনি থেকে প্রাপ্ত সবচেয়ে পুরনো ছোট ও স্বচ্ছ বস্তু হল গোমেদ-মণি। যা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস নামক স্থানে পাওয়া যায়, যার বয়স কমপক্ষে ৪.৪০৪ বিলিয়ন বছর।সৌরজগতে গঠিত উল্কাপিন্ডের মধ্যে ক্যালসিয়াম-অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ সবচেয়ে প্রাচীন কঠিন বস্তুর বয়স প্রায় ৪.৫৬৭ বিলিয়ন বছর। এবং এটি গ্রহনযোগ্য বয়স।  আধুনিক ভূতাত্ত্বিক ধারনার উন্নয়ন পাললিক শিলার গবেষণা থেকে দেখা যায় পাথর এবং পৃথিবীর স্তরবিন্যাস, প্রকৃতিবিদদের এই ধারণা প্রদান করে যে পৃথিবী তার অস্তিত্বের সময় থেকে অনেক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। এই স্তর...

মহাবিশ্বের ইতিহাস

Image
ইতিহাস প্রাচীন কালে মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য নানাবিধ বিশ্বতত্ত্বের আশ্রয় নেওয়া হত। পুরাতন গ্রিক দার্শনিকরাই প্রথম এই ধরণের তত্ত্বে গাণিতিক মডেলের সাহায্য নেন এবং পৃথিবী কেন্দ্রিক একটি মহাবিশ্বের ধারণা প্রণয়ন করেন। তাঁদের মডেলে পৃথিবীই মহাবিশ্বের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সমস্ত গ্রহ, সূর্য ও নক্ষত্ররা ঘুরছে। গ্রীকদের এই মডেলে মহাবিশ্বের মোট আয়তন বর্তমানে জ্ঞাত বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মধ্যেই ছিল। তাঁরা ভেবেছিলেন আকাশের তারারা আমাদের থেকে খুব বেশি দূরে অবস্থিত নয়। বেশ কয়েক জন জ্যোতির্বিদ পৃথিবীকেন্দ্রিক মহাবিশ্বের ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করলেও যতদিন না চৌদ্দশো শতকে কোপের্নিকাস সৌরকেন্দ্রিক মহাবিশ্বকে যৌক্তিক ভাবে তাঁর বইয়ে উপস্থাপনা করলেন ততদিন পৃথিবীকেন্দ্রিক ধারণা মানুষের মনে দৃঢ়ভাবে গেঁড়ে ছিল। পরবর্তীকালে নিউটনের গতি ও মহাকর্ষ সংক্রান্ত গভীর ধারণা পর্যবেক্ষণের সাথে সৌরকেন্দ্রিক জগতের সামঞ্জস্য নির্ধারণ করে। ধীরে ধীরে জ্যোতির্বিদরা আবিষ্কার করেন সূর্যের মতই কোটি কোটি তারা দিয়ে একটি গ্যালাক্সি গঠিত। কয়েক শত বছ...

মহাবিশ্ব

Image
ভৌত বিশ্বতত্ত্ব ধারাবাহিকের অংশ মহাবিশ্ব মহা বিস্ফোরণ মহাবিশ্বের বয়স মহা বিস্ফোরণের কালপঞ্জি আদি মহাবিশ্ব[দেখান] সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব[দেখান] কাঠামো গঠন[দেখান] মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ[দেখান] উপাদানসমূহ[দেখান] বিশ্বতাত্ত্বিক তত্ত্বসমূহের ইতিহাস[দেখান] পরীক্ষণসমূহ বিজ্ঞানীরা সামাজিক প্রভাব  জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রবেশদ্বার বিষয়শ্রেণী: ভৌতিক বিশ্বতত্ত্ব স্থান ও সময় এবং এদের অন্তর্ভুক্ত সকল বিষয় নিয়েই  মহাবিশ্ব  । পৃথিবী এবং অন্যান্য সমস্ত গ্রহ , সূর্য ও অন্যান্য তারা ও নক্ষত্র , জ্যোতির্বলয়স্থ  স্থান  ও এদের অন্তর্বর্তীস্থ গুপ্ত পদার্থ , ল্যামডা-সিডিএম নকশা , তমোশক্তি ও শূণ্যস্থান (মহাকাশ) - যেগুলো এখনও তাত্ত্বিকভাবে অভিজ্ঞাত কিন্তু সরাসরি পর্যবেক্ষিত নয় - এমন সব পদার্থ ও শক্তি মিলে যে জগৎ তাকেই বলা হচ্ছে  মহাবিশ্ব  বা ...

বিগ ব্যাং

Image
বিগব্যাং তত্ত্ব  এহান মহাবিশ্বর উৎপত্তি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আহান। তত্ত্ব এহানর বৈশিষ্ট্যহান অইলতা ধারাবাহিক কোন প্রক্রিয়াৎ নাগিয়া ইমে মিকুপ আহানাৎ বিশ্বজগৎ এহান সৃষ্টি অসেহান। তত্ত্ব এহানে মাতেরতা আজিত্ত প্রায় ১৩.৭ বিলিয়ন বসর আগে মহাবিশ্ব এহান নিয়ামপারা ঘনপা বারো তপ্তা অবস্থা আহানাত্ত হঙসিলহান। বিজ্ঞানী  এডুইন হাবল  গিরকে পয়লা মাতেসিলতা, দূরেইর ছায়াপথ উতার গতিপথ পর্যালোচনা করলে দেহিয়ারতা ঔতা আগই আগরাতো থেয়য়া যারগা, অর্থাৎ মহাবিশ্ব এহান তাপ্প তাপ্প ডাঙর বা প্রসারমান অয়া আহেরহান। সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ফ্রিদমান-ল্যমেত্র্‌-রবার্টসন-ওয়াকার মেট্রিক'লো ঔহান ব্যাখ্যা করেসি। এরে তত্ত্বউতার পাংলাকলো আগেকার য়ারিউতা বিশ্লেষন করলে দেহিয়ারতা, পুরা মহাবিশ্ব উহানই সুপ্রাচীন বিন্দু অবস্থা আহানাত্ত উৎপত্তি অসেহান। ঔ অবস্থা অহানাত হাবি পদার্থ বারো শক্তি নিয়াম তপ্তা বারো ঘনিয়া আসিল। বিগব্যাং বা 'মহা বিস্ফোরণ' ওয়াহি এগোলো বুঝারতা ঔরে প্রাচীনতম বিন্দু ঔগোর নিয়াম শক্তিশালী বিস্ফোরণ আহানাত্ত মহাবিশ্বর উৎপত্তি বারো বিকাশ অসেহান। এহানাত্ত মহাবিশ্বর প্রাচীনতম বস্তুউতা...

বিগ ব্যাং- কিভাবে মহাবিশ্বের জন্ম?

মহাবিশ্বের শুরু কবে ? কোথা থেকেই বা এল এই মহাবিশ্ব ? বহু বছর ধরেই এসকল প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের ঘুম নষ্টের কারণ হয়ে আছে। ১৯৯১-তে কোনো এক জ্বালাময়ী(!) পত্রিকায় জ্যোর্তি বিজ্ঞানীকে বিদ্রুপ করে এই প্রসঙ্গে লেখিকা Fay Weldon-এর একটি মজার মন্তব্য ছাপা হয়েছিল- ‘Who cares about half a second after the Big Bang’ কিংবা আর একটু পেছনে ফিরে বলা যায়- ‘What about half a second before’ ? সত্যি কি ছিল ? খুব সরল করে বলতে গেলে উত্তরটা সৃষ্টির ‘আধ সেকেন্ড’ আগে বলতে কিছু নেই। মজাটা হলো, এ প্রশ্নের উত্তর যদি পেতে হয় তবে চলে আসতে হবে অন্য একটি প্রশ্নে কেমন করে আমরা জানি যে মহাবিশ্বের অস্তিত্ব অনন্ত কাল ধরে ছিল না। অধিকাংশ বিজ্ঞানীই অনাদি অনন্তকালের মহাবিশ্বের ধারণাকে বাতিল করে দেন তাপগতিবিদ্যা (Thermodynamics) এর দ্বিতীয় সূত্রের কারণে। সাদা কথায় যার বক্তব্য হলো প্রতিটি প্রক্রিয়াতে বিশৃংখলা (Entropy)  সময়ের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। মহাবিশ্বের স্বরূপ জানবার শল্য চিকিৎসায় এ সূত্রের প্রয়োগ করতে গিয়ে দেখা গেল যে আমাদের বর্তমান মহাবিশ্ব একমুখি পর্যায়ের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার একটি পরিণতিকে আলিঙ্গন করতে এগি...

মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব

Image
মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব অনুসারে মহাবিশ্ব একটি অতি ঘন বিন্দুবৎ অবস্থা থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। ভৌত বিশ্বতত্ত্ব ধারাবাহিকের অংশ মহাবিশ্ব মহা বিস্ফোরণ মহাবিশ্বের বয়স মহা বিস্ফোরণের কালপঞ্জি আদি মহাবিশ্ব [দেখান] সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব [দেখান] কাঠামো গঠন [দেখান] মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ [দেখান] উপাদানসমূহ [দেখান] বিশ্বতাত্ত্বিক তত্ত্বসমূহের ইতিহাস [দেখান] পরীক্ষণসমূহ [দেখান] বিজ্ঞানীরা [দেখান] সামাজিক প্রভাব [দেখান]   জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রবেশদ্বার বিষয়শ্রেণী: ভৌতিক বিশ্বতত্ত্ব দে স ভৌত বিশ্বতত্ত্বে   মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব  মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রদত্ত একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো কোন ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে একটি বিশেষ মুহূর্তে মহাবিশ্বের উদ্ভব। এই তত্ত্ব বলে আজ থেকে প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে এই মহাবিশ্ব একটি অতি ঘন এবং উত্তপ্ত অবস্থা থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। বিজ্ঞানী  এডুইন হাবল  প্রথম বলেন, দূরবর্তী  ছায়াপথসমূহের  বেগ সামগ্রিক...