Posts

Showing posts from February, 2019

মহাকাশ এর কিছু অদ্ভুত সুন্দর ছবি

Image
মহাকাশঃ মহাকাশ নিয়ে মানুষের আগ্রহ, গবেষণার শেষ নেই। এত বিশাল এর বিস্তৃতি যে মানুষ যতই ভাবুক কুল কিনার করতে পারেনি এখনো। রাতের আকাশে তাকালেই কেমন হারিয়ে যাবার একটা অনুভূতি হয়। এত তারা, গ্রহ, নীহারিকা সব মিলে কেমন গোলকধাঁধার মত একটা অবস্থা। সেই রহস্যময় মহাকাশের কিছু ছবি নিয়ে এই লেখা। মঙ্গলের কিম্বার্লি গঠন এই ছবিটি নাসার কিউরিসিটি রোভার এর তোলা। এটি মঙ্গল গ্রহের কিম্বার্লি নামক জায়গা থেকে তোলা। একজন মহাকাশ্চারী আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশান এ কাজ করছেন এটি কোনো মুভির ছবি নয়। ইনি মহাকাশচারী  Kjell N. Lindgren । উপরের ছবিটি তিনি  আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশান(ISS)  এ কাজ করার সময়ে তোলা। মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর একটি ছবি। উপরের ছবিটি মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর ছবি। এই ছবিটি তুলেছেন নভোচারী  Kjell N. Lindgren । প্লুটো গ্রহের চারপাশে নীল রঙের কুয়াশার মত চাদরে ঢাকা এই ছবিটি প্লুটো গ্রহের। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্লুটো গ্রহের চারপাশ নীল রঙের আবছায়া কুয়াশার মত এক চাদরে ঢাকা। যদিও প্লুটো কে গ্রহ নাকি না তা নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে। উপরের ছবিটি  New Horizons নামক  স্পেস প্র...
Image
বিজ্ঞানের জন্ম কীভাবে? অন্য সকল মহাকাব্যের মতই বিজ্ঞানের গল্পও শুরু হয় “সে অনেককাল আগের কথা” দিয়ে। সেই প্রাচীনকালে, মানুষ যখন চিন্তা করার সক্ষমতা অর্জন করেছে; তখন থেকেই নিরবচ্ছিন্নভাবে প্রকৃতিকে বুঝতে চেয়েছে, ব্যাখ্যা করতে চেয়েছে। মানবপ্রজাতির সেই চেষ্টার ধারাবাহিকতাতেই, ধীরে ধীরে আমরা আজকের বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাগুলোতে উপনীত হয়েছি। সেই ধারাপ্রবাহের প্রথম ধাপ ছিলো পুরাণ বা Myth. প্রাচীনকাল থেকে মানুষের মুখে মুখে উপাখ্যান তৈরি হয়েছে। এ ওকে বলে গেছে, সে তার পরের প্রজন্মকে বলেছে। প্রত্যেক প্রজন্মে গল্পগুলো একটু একটু করে পাল্টে গেছে, সাধারণ মানুষের বীরত্বের কাহিনীগুলো হয়ে গেছে দেবতাসুলভ। কাহিনী হয়ে গেছে কিংবদন্তী, কিংবদন্তী রুপান্তরিত হয়েছে পুরাণে। Lord of the rings: Fellowship of the ring চলচ্চিত্রের শুরুর দিকে এমন একটা উক্তি ছিলো – “History became legend, legend became myth”. রাহুল সাংকৃত্যায়নের “ভোলগা থেকে গঙ্গা” বইটার মধ্যে খুব চমৎকারভাবে পুরাণ তৈরি হওয়ার একটা ধারাপ্রবাহ দেখানো হয়েছে। যাদের বইটা পড়া নেই, তাদের সবাইকে বইটা পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। যাই হোক, এসব মিথ বা পুরাণ তৈরি হওয়ার...
Image
বিজ্ঞানের অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে কথা উঠলে অনেককে হয়তো বলতে শুনবেন বিবর্তনবাদের সত্যতা, দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তনের অস্তিত্বের কথা, অথবা ভ্যাকসিন আসলেই নিরাপদ কিনা। কিন্তু এগুলো নিয়ে আসলে বিজ্ঞানে কোনো বিতর্ক নেই। বিবর্তনবাদ আসলেই প্রমাণিত সত্য, জলবায়ু পরিবর্তনও ঘটছে খুব দ্রুত, এবং ভ্যাকসিন আসলেই শিশুদের জন্য নিরাপদ। এগুলোর একদম নগণ্য কিছু ব্যাপার নিয়ে বিতর্ক আছে, কিন্তু মূল বিষয়গুলো নিয়ে নয়। তাই বলে বিজ্ঞানীরা কিন্তু এই মহাবিশ্বের ব্যাপারে সব জেনে বসে নেই। পদার্থবিদ ব্রায়ান কক্স বলেছিলেন, “অজানা বিষয় আমাকে নার্ভাস করে না – বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য তো এটাই। এমন বিলিয়ন বিলিয়ন জায়গা আছে, যেগুলোর ব্যাপারে আমরা কিছুই জানি না। আর এই না জানাটা আমাকে আগ্রহী করে তোলে, সেগুলোর ব্যাপারে জানার জন্য। এবং এটাই বিজ্ঞান। অজানার ব্যাপারে ভাবতে গিয়ে আপনি যদি সহজ হতে না পারেন, তাহলে বিজ্ঞানী হওয়াটা আপনার জন্য বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে। আমি কেবল একটা উত্তর চাই না। আমি সবকিছুর উত্তর চাই না। আমি চাই – এমন কিছু ব্যাপার থাকুক, যেটার উত্তর খুঁজতে হবে।” তো, বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় রহস্যগুলো কী? এই নিন, আমাদের সেরা দশ! ...